একটি শিক্ষণীয় গল্প
গল্প:১
শামীমের বয়স সবেমাত্র বিশ।টগবগে যুবক সে।যখন যা ইচ্ছা করতে পারে।বাবা-মায়ের একমাত্র আদরের ছেলে।প্রতিদিন আমি যোহরের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দেখি সে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ব্রাশ করছে।একদিন তাকে কাছে ডেকে জিজ্ঞেস করলাম 'বাবা,আমরা মুসলিম।আমরা শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ব আর অন্যায় কাজ থেকে বেঁচে থাকব।তাহলে পরকালে মুক্তি পাব।'
আমার কথার ভ্রুক্ষেপ করেনি সে।বরং একটু বিরক্তিপ্রকাশপূর্বক ভ্রু কুঁচকে চলে গেল।
আল্লাহর কাছে বলেছি আল্লাহ যেন শামীমকে দ্বীনের সহীহ বুঝ দান করেন।
পরদিন
রাত ১২টা প্রায়।
বারান্দায় বসে আছি।জ্যোৎস্না দেখছি।হঠাৎ নিচ থেকে বিকট আওয়াজ আসলো কানে।নিচে গিয়ে দেখি শামীমদের ঘরের টিভিটা হঠাৎ ব্রাস্ট হয়ে গেছে।শামীম খুব সামনে বসে টিভি দেখছিলো বলে ক্ষয়ক্ষতিটা সবচেয়ে বেশি হয়েছে তাঁর।হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।ডাক্তারের সর্বোচ্চ চেষ্টায় তাকে বাঁচানো যায়নি।
খুব কষ্ট লাগলো মনে।আল্লাহর কাছে শুধু বলেছি আল্লাহ যেন তার পাপকে ক্ষমা করে দেন।
আমার কথার ভ্রুক্ষেপ করেনি সে।বরং একটু বিরক্তিপ্রকাশপূর্বক ভ্রু কুঁচকে চলে গেল।
আল্লাহর কাছে বলেছি আল্লাহ যেন শামীমকে দ্বীনের সহীহ বুঝ দান করেন।
পরদিন
রাত ১২টা প্রায়।
বারান্দায় বসে আছি।জ্যোৎস্না দেখছি।হঠাৎ নিচ থেকে বিকট আওয়াজ আসলো কানে।নিচে গিয়ে দেখি শামীমদের ঘরের টিভিটা হঠাৎ ব্রাস্ট হয়ে গেছে।শামীম খুব সামনে বসে টিভি দেখছিলো বলে ক্ষয়ক্ষতিটা সবচেয়ে বেশি হয়েছে তাঁর।হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।ডাক্তারের সর্বোচ্চ চেষ্টায় তাকে বাঁচানো যায়নি।
খুব কষ্ট লাগলো মনে।আল্লাহর কাছে শুধু বলেছি আল্লাহ যেন তার পাপকে ক্ষমা করে দেন।
পরিশেষে বলতে চাই,আসলে কার মৃত্যু কখন আসবে কেউ জানেনা।তাই,মৃত্যুর প্রস্তুতি গ্রহন করে রাখা ভালো।

No comments